চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস হারিয়ে আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করেছে। দুর্দান্ত শুরু করে কিউইরা, ১০ ওভারে ২ উইকেটে ১০০ রানের ঘাটে পৌঁছে গেলেও মাঝের ওভারগুলোতে তারা ছন্দ হারায় এবং বড় সংগ্রহ গড়ার পথ কিছুটা আটকে যায়।
ইনিংসের ভিত্তি গড়ে দেন কাটেনে, ক্লার্ক ও ডেন ক্লিভার। টিম রবিনসন শূন্য রানে রানআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন ক্লার্ক ও ক্লিভার। ক্লিভার ৫১ রান করে রিশাদ হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ হন। একইভাবে ক্লার্কও নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটি তুলে নেন—৩৭ বলে ৫১—তার পর তিনিও রিশাদের শিকার হন।
শুরুতে বিধ্বংসী হওয়া ইনিংসটি মাঝপথে ছন্দ হারায়। বেভন জ্যাকবসকে ফেরান তানজিম, আর ডিন ফক্সক্রফটকে বোল্ড করেন মেহেদী। ১০০/২ থেকে দ্রুতই ধস দেখে কিউইদের স্কোর হয়ে ওঠে ১৩০/৫—এভাবে বড় সংগ্রহের দিকটা আটকায় বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ।
শেষ দিকে অধিনায়ক নিক কেলি ও জশ ক্লার্কসন দায়িত্ব নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। কেলি ৩৯ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে তানজিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন, আর ক্লার্কসন মাত্র ১৪ বলে ২৭ রানের ঝলক দেখিয়ে দলের স্কোরকে স্থাপন করেন। তাদের ইনিংসে নিয়োগের পর নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৮২/৬ নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন। তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান এক করে উইকেট নেন। লক্ষ্য বড় হলেও ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে বাংলাদেশকে রান তাড়া করার ভালো সুযোগ এখনো রয়েছে—একটি শক্তিশালী শুরুেলে তারা ম্যাচে ফিরে আসতে পারে।





