রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহার আগে রেলওয়ের খোলা অবস্থান, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা ও রেলস্টেশনের প্রবেশপথে কোরবানির পশুর হাট স্থাপন নিষিদ্ধ। এসব স্থানে হাট বসাতে হলে রেলওয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদকে এই নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তায় কোন বিঘ্ন না ঘটে। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অভ্যন্তরে যদি পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হলে হাটটি মৈত্রী সংঘ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রেললাইনের খুব কাছাকাছি কোনো স্থানে হাটের অনুমোদন দিলে, ইজারাদারকে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর লক্ষ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বাঁশ বা উপযুক্ত উপকরণ দিয়ে মজবুত বেষ্টনী নির্মাণ করতে হবে।
বেষ্টনী এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে ট্রেন চলাচল স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে এবং হাটে আসা মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হয়। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে সমন্বয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে, যাতে ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তা নির্বিঘ্নভাবে বজায় থাকে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে নির্বিঘ্ন ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। মন্ত্রণালয় এই সব নির্দেশনা দিয়ে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও রেলসেবা স্বচ্ছন্দ রাখতে চাইছে।





