ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২১ জুন) দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩’র বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী আদালতের এ আদেশ নিশ্চিত করেছেন।
কোথায় কীভাবে ঘটেছিল—এ সংক্রান্ত তথ্য দিতে আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ বলে তার পরিবার জানিয়েছিল। পরদিন (১২ জুন) দাউদকান্দি মডেল থানায় বিষয়টি নিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। একই দিন রাতে কুমিল্লার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এর কয়েক দিন পর—এক ২৫ বছর বয়সী নারী দাউদকান্দি মডেল থানায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ করে মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গত ১৬ জুন বিকেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে আদালত তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ আদালতে জিসানকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তদন্তের প্রয়োজন বিবেচনায় দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ডিবির ওসি শামছুল আলম শাহ জানান, আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে তারা আশা করছেন।
ঘটনার সুষ্ঠু расследণা এবং প্রমাণ সংগ্রহের স্বার্থে পুলিশ ও তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তবে আদালত ও তদন্তপ্রক্রিয়ার তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে মামলার স্বার্থে পুলিশ একাংশ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করছে না।





