রাজধানীর কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারের পরে গুরুতর আহত হওয়া সাজিদ চৌধুরী রাফি (রাফি) মারা গেছেন। সোমবার (২২ জুন) ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাফির মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং এই-মামলার তথ্য কাফরুল থানা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
পুলিশি তথ্যানুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ৯ জুন রাতে। তখন সাজিদ চৌধুরী রাফি মোটরসাইকেলে একা করে যাচ্ছিলেন। পথে কালু ও পারভেজ নামে দুই ব্যক্তি তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে কালু বাধা দিতে ব্যর্থ হলে পারভেজ কিছু এগিয়ে এসে বড় এক ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। আঘাতপ্রাপ্ত রাফি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গুরুতরভাবে মাথায় আঘাত পান।
রাফির চাচা নুর হোসেন ওই ঘটনার পর কাফরুল থানায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগ করে একটি মামলা করেন। প্রাথমিক তদন্তের বলিপ্রতী, এটি ছিনতাইমূলক ঘটনা নয়; বরং পূর্ব শত্রুতা ও মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার প্রেক্ষিত থেকে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।
পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে মো. পারভেজ, ফয়সাল (ওরফে কালু) এবং আনোয়ার হোসেন বাবু নামে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনা ও গ্রেপ্তারিদের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।





