দেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে ২,২১৬ টাকা করে কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা (ভ্যাটসহ)। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস বলেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এক ভরি মানে ১১.৬৬৪ গ্রাম। সংস্থার বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা দেওয়া হয়েছে — ২২ ক্যারেট: ২,২৩,০৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,১৩,০৪৩ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ১,৮২,৯৫০ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের দাম: ১,৪৯,৪৭৪ টাকা (সবই ভ্যাটসহ)।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যই কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি (মেকিং চার্জ) আলাদাভাবে যোগ হবে। বিক্রয়ের মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে — সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে হিসাব করা হবে। রূপার অলংকার সংক্রান্ত ভ্যাটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানানো হবে বলে বাজুস জানিয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবারও বাজুস স্বর্ণের দাম কমিয়েছে; তখন প্রতি ভরিতে ৫,৪৮২ টাকা করে কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২,২৫,২৯০ টাকা। সেই সময়ে ২১ ক্যারেট ছিল ২,১৫,১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১,৮৪,৭৫৮ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১,৫০,৯৩২ টাকা।
টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের ফলে এক সপ্তাহের মধ্যেই দেশে স্বর্ণবাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সূচক ও স্থানীয় কাঁচা স্বর্ণের দাম অনুযায়ী ভবিষ্যতে আবারও মূল্য সমন্বয় হতে পারে।





