জুলাই আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দায়িত্ব briefly নেন ফারুক আহমেদ। মাঝপথে ওই দায়িত্ব হারানোর পর গেল বছরের কমিশনে তিনি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের আমলে সহ-সভাপতি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তবুও নানা অভিযোগের কারণে মেয়াদ পূরণের আগেই পুরো বোর্ড ভেঙে যায়। এরপর তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি এবং পরে নির্বাচিত বোর্ড ক্ষমতায় আসলেও ফারুককে বোর্ডে আর দেখা যায়নি।
গত কয়েকদিন আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আইসিসিকে অভিযোগ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠানোর খবর ছড়িয়ে পড়ে। সেই চিঠি এবং বিষয়টি নিয়েই আজ (সোমবার) মুখ খুলেছেন ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, আইসিসিকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। “জানিই না—একদমই জানি না। পুরো চিঠিটা পড়ে দেখবারও সময় পাইনি, তখন খুব ব্যস্ত ছিলাম,” তিনি বলেন।
তিনি আরও বলেন, কোনো ঘটনা ঘটলেই ভেতরে বাইরে স্বার্থান্বেষী মহল তাকে জড়িয়ে ফেলে—এ কারণেই বিষয়টি স্বচ্ছ হতে হবে। “আমি এটার অংশ নাকি—এটা স্পষ্ট হওয়া দরকার। আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না,” ফারুক যোগ করেন।
ফারুক দাবি করেন, যখন তাঁকে সভাপতির পদ থেকে সরানো হয় তখনও তিনি আইসিসিতে অভিযোগ করেননি এবং কোনো চিঠি দেননি। “আমি তখনও কোনো অভিযোগ করিনি, কোনো চিঠি দেইনি। সেই অবস্থান থেকেই বলতে পারি—এই বিষয়ে আমার হাত নেই। আমি জানি না,” তিনি বলেন।
ফারুক বলেন, চিঠির খসড়া বা কপি তিনি গত পরশু দেখেছেন—কিন্তু বিস্তারিতভাবে পড়ার সময় হয়নি। তাই তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ঐ নথি আইসিসির কাছে পৌঁছেছে কি না, কারণ এখন তাঁর আইসিসির সঙ্গে কোনো সরাসরি সাক্ষাৎ বা কানেকশন নেই।
বুলবুলের বোর্ডের কিছু সদস্য ওই চিঠিকে সমর্থন জানিয়ে বললেও ফারুক স্পষ্ট করেন, রিট সংক্রান্ত কাগজে আদালতের স্বাক্ষর থাকতে পারে, তাতে আইসিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে তাঁর বা বোর্ডের কোনো স্বাক্ষর নেই। “এ চিঠিতে আলাদা কোনো সই করিনি—আমার কোনো স্বাক্ষর নেই। যদি কেউ তা বের করে দেখাতে পারে, তাহলে আমি সেটি গ্রহণ করব,” তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন।
অবশেষে ফারুক বলেন, বিষয়টি পরিষ্কার করার দিকটি এখন সবচেয়ে জরুরি। বুলবুল সম্ভবত নিজের বক্তব্য দেয়া বা ব্যাখ্যা করতে পারবেন—এমনটাই তিনি মনে করেন।





