মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নির্বাচনে কে অংশ নিবে, তা আদালত ও ইসির সিদ্ধান্ত: বিএনপি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিভ ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেবে কিনা—তা নির্ধারণ করবেন আদালত ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রিজভী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘‘এবারের নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হচ্ছে না। সে কারণে কে নির্বাচন করবে বা করবে না—এটা আদালত ও ইসির বিচারবুদ্ধি ও আইনগত সিদ্ধান্তের বিষয়।’’ তিনি নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল হিসাব দাখিল করে।

রিজভী আরও বলেন, ‘‘অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য এখানে সিদ্ধান্তমূলক নয়। প্রচলিত আইন এবং নতুন যে আইন ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে, সেই অনুযায়ী কারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন তা ইসিকে নির্ধারণ করতে হবে। বিষয়টা পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’’

এর আগে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়—তার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তই বিবেচ্য। আইনগতভাবে যোগ্যতা থাকলে যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন বলে তিনি জানিয়ে ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন চলতি বছর অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের শেষ দিকে বা সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা করা যেতে পারে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘‘যেহেতু এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো এ সিদ্ধান্ত স্থির হয়নি।’’

দলের কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‘এ বিষয়ে আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানও কাউন্সিলের কথাই বলেছেন। নির্দিষ্ট তারিখ বা মাস এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে খুব শিগগিরই কাউন্সিল হওয়ার আশা রাখছি। সময় নির্ধারণ হলেই তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেওয়া হবে।’’