সোমবার, ২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কারা নির্বাচনে অংশ নেবে, তা সিদ্ধান্ত নেবে আদালত ও ইসি: বিএনপি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী শিল্পদলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না—এটি আদালত ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়।

রোববার (১৯ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দলীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে রিজভী এ মন্তব্য করেন। তথ্য জমা দিতে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল তার নেতৃত্বে কমিশনে উপস্থিত ছিল।

রিজভী বলেন, এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই ‘‘কে নির্বাচন করবে বা করবে না’’—এই প্রশ্নের জবাব আদালত ও নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে। তাঁর মন্তব্য, প্রচলিত আইন অনুযায়ী এধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে।

তিনি আরও বলেন, অন্য রাজনৈতিক দলের মন্তব্য এখানে নির্ণায়ক নয়। বর্তমান প্রচলিত আইন এবং যেসব নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে, তা অনুযায়ী কারা নির্বাচন করতে পারবেন সেটি নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। বিষয়টি তারা বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের বক্তব্য।

এর আগে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, তার আইনগত যোগ্যতা এবং অযোগ্যতার শর্তই বিবেচ্য। আইনগত যোগ্যতা থাকলে যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করছে আগামী অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরের নির্বাচন আয়োজন করতে। এজন্য তফসিল আগস্টের শেষ দিকে বা সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘোষিত হতে পারে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

কীভাবে এবং কাকে বিএনপি সমর্থন দেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘‘কারণ এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে নয়, এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।’’

দলের কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত ঘোষণা আগেই দেওয়া হয়েছে এবং মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানও কাউন্সিল করার প্রস্তাব জানিয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি; খুব শিগগিরই কাউন্সিল হওয়ার আশা ছাড়েননি তিনি এবং সময় নির্ধারণ হলে তা অবহিত করা হবে।