চতুর্থ ওভার শেষে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক—তবে পরের ওভারগুলোর ধাক্কায় বাংলাদেশ চাপে পড়েছে এবং ছয় দশমিক চার ওভারে ঝুম বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে স্কোর ছিল ৫০/৩; লিটন দাস অপরাজিত ২৫ ও তাওহীদ হৃদয় ২ রানে ছিলেন।
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের অবস্থাই ভয়াল ছিল—পাওয়ার প্লে শেষে সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৩ রান। কিন্তু প্লে-র শেষের আগে মাত্র ১০ বলের মধ্যে ১৪ রানে তিনটি উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে দলটি।
ম্যাচ শুরুতে ৩ ওভার শেষে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়েই ২১ রান তুলেছিল। দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের এক ডাবল বাউন্ডারি ছিল দলের আগে যাওয়ার বড় অংশ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে জেডন লেনক্স সাইফকে ফেরান; তাতে দলীয় স্কোর তখন ২১ এবং সাইফ ১১ বলে ১৬ রান করছিলেন। একই ওভারেই লিটন দাস তিন বলেই চার ও ছক্কায় ১২ রান যোগ করেন।
পরের ওভার থেকেই ভাঙন শুরু হয়। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে নাথান স্মিথ তানজিদ হাসান তামিমের স্টাম্প ভেঙে দেন। পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন একটি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন—ইশ সোধির হাতেই ক্যাচটি জমা পড়ে। তাওহীদ হৃদয় তখন কিউই পেসারকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি, কিন্তু দ্রুত তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।
এর আগে টস জিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক নিক কেলি ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন, ফলে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। একাদশে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন; তানজিম হাসান সাকিব পিঠের চোটের কারণে absent থাকায় তাঁর জায়গায় তিনি খেলছেন।
সিরিজ রেসকিউরক্ষার জন্য নিউজিল্যান্ডও একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে—বেন লিস্টার ও ম্যাট ফিশারের জায়গায় জেডন লেনক্স ও বেন সিয়ার্সকে ধারাও করা হয়েছে।
পেছনের দুই ম্যাচ চট্টগ্রামে হয়েছিল; সিরিজের সূচনা হয়েছিল এক দলই ৬ উইকেটে জয় দিয়ে, কিন্তু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল। আজও একই রকম আবহাওয়া ম্যাচের গতিকে প্রভাবিত করেছে এবং বৃষ্টির পরে খেলা কীভাবে এগোবে তা নিয়েই অপেক্ষা চলেছে।
বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, রিপন মন্ডল।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার, নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মिथ, ইশ সোধি, জেডন লেনক্স, বেন সিয়ার্স।





