সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সময়সীমা ও কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়েছে। সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সরকারি ছুটি ব্যতীত অধিবেশন প্রতিদিন বিকেল ৩টায় হবে এবং সামগ্রিকভাবে অধিবেশন ৯ জুলাই শেষ হবে। বিশেষ করে ২৭—৩০ জুন চার দিন প্রতিদিন দু’বেলা বৈঠকের প্রস্তাব করা হয়েছে। সাধারণত বাজেট আলোচনা চালানোর জন্য মোট ৪০ ঘণ্টার সময় বরাদ্দ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধীদলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির।

স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৈঠকে বাজেট (২০২৬ খ্রিস্টাব্দের দ্বিতীয়) অধিবেশনের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রয়োজনে অধিবেশনের সময়সূচি বা কার্যদিবস পরিবর্তন করার ক্ষমতা স্পিকারের কাছে রাখা হয়েছে।

এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৯১টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩০৩৭টি করে মোট ৩২২৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এছাড়া বিধি-৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ ৯৮টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব (বিধি-১৩১) ২৯৩টি নোটিশ থাকায় সেগুলোও আলোচনা বিষয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় থেকে বৈঠকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।