ইবানেজের জায়গায় দানিলো, ইগোর থিয়াগোর বদলে ম্যাথিউস কুনহা—এমন কিছু সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ কარლো আনচেলত্তি। ফিলাডেলফিয়ার ম্যাচের একাদশ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে গোপন রেখেছেন, তবে ‘দুটি বা তিনটি’ বদল আনার আশঙ্কা/সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন।
সম্পূর্ণ সপ্তাহব্যাপী ট্রেনিং সেশনের পর আনচেলত্তি তার চিন্তা-ভাবনা খেলোয়াড়দের কাছে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো মিডফিল্ডে লুকাস পাকেতা নাকি দানিলো সান্তোসকে শুরুতে খেলানো হবে কি না। ম্যাচের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি পাকেতা নিয়েও নিশ্চিত কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে সে শুরু করবে কি না। পাকেতার খেলার মান আছে, সে খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথমার্ধে তার কিছু দেখা যায়নি, কিন্তু আমরা তাকে আরেকটা সুযোগ দেব। যারা প্রথমার্ধে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলেনি, তাদের মধ্যে একজন পাকেতা। তবু সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। প্রথমার্ধে মোটের উপর কেউই নিজেদের সেরাটা দিতে পারেনি, সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে।’
নিউ জার্সিতে ব্রাজিল বেশিরভাগ সময় 4-2-4 ফর্মেশনে খেলেছে, কিন্তু 4-3-3 এ খেললে মাঝমাঠে তারা বেশি গতিশীল ও নিয়ন্ত্রিত দেখাবে—এমনটাই মত বিশ্লেষকদের। এই সিস্টেমে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বাঁ দিক থেকে বেশি ভূমিকা নেবেন, রাফিনহা ডান দিক সামলাবেন এবং ম্যাথিউস কুনহা কেন্দ্রীয় আক্রমণভাগে বড় ভূমিকা রাখবেন।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ হতে পারে:
আলিসন; দানিলো, মারকুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, ডগলাস সান্তোস; কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারায়েস ও লুকাস পাকেটা (অথবা দানিলো সান্তোস); রাফিনহা, ম্যাথিউস কুনহা ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
তথ্যতাত্তার হিসাবে, মরক্কোর বিপক্ষে শুরু করা একাদশ ছিল: আলিসন; রজার ইবানেজ, মারকুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল, ডগলাস সান্তোস; কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারায়েস; রাফিনহা, লুকাস পাকেতা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র; ইগোর থিয়াগো।
আনচেলত্তির সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য বদলগুলো ম্যাচের আগে পর্যন্ত রহস্যই রেখেছে—ফিলাডেলফিয়ায় মাঠে নামার সময়ই চূড়ান্ত একাদশ ঘোষণা করে দিবে ব্রাজিল কোচিং স্টাফ।





