রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় টুরস্ক ও হাইতি

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কঠোর লড়াই শেষে বিদায় নিল তুরস্ক ও হাইতি। ব্রাজিলের কাছে ৩-০ হারতে হয়েছে হাইতিকে, আর প্যারাগুয়ের আগাম আক্রমণে ১-০ হারে টুরস্কের বিদায় নিশ্চিত হলো।

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হাইতির পরাজয় প্রায় প্রত্যাশিত ছিল—তবে ম্যাচের শুরুটা ছিল দম্পতীয়। প্রথম ১০ মিনিট প্রতিপক্ষকে চোখে দেখে নেওয়ার পরে বল ও রাফতারে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গড়ে তোলে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। হাইতি অবশ্য পুরো ম্যাচে কেবল প্রতিহতই করেনি; ৬৩ মিনিটে কর্ণারে গিয়ে প্রায় করে ফেলছিল তারা, কিন্তু ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন বেকার সতর্কতার সঙ্গে সেটি আটকান।

গোলের দিক থেকে ব্রাজিলের আক্রমণ কার্যকর ছিল। খেলার ২৩ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের শটকে জবাব দিতে গিয়ে হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিড বক্সের সামনে বল বের করতে চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার হানেস ডেলক্রোইক্সের পায়ের স্পর্শে বল এক অপ্রীতিকর দিক পরিবর্তন নিয়ে ম্যাথেউস কুনহার পায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ৩৬ মিনিটে কুনহাই নিজে থেকে আরও একটি গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন, আর প্রথমার্ধের যোগ সময়ে ভিনিসিয়াস জügel দলের সুবিধা ৩-০ করে নিঃসন্দেহে খেলাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

অন্যদিকে প্যারাগুয়ে ও তুরস্ক ম্যাচে ম্যাচের প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই নড়ে বসে প্রতিপক্ষ। গালারজা মাত্র ৬৫ সেকেন্ডে গোল করে ম্যাচের শুরুতেই প্যারাগুয়েকে নেতৃত্ব দেন—এটি এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল। ম্যাচের শেষে প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন লাল কার্ড পেয়ে দলকে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ ১০ জনে খেলে যেতে বাধ্য করেন, তবু তুরস্ক সমতা আনতে পারেনি।

প্যারাগুয়ের এই জয়ে তারা গ্রুপ ‘ডি’ থেকে নকআউট রাউন্ডে উঠেছে, আর তুরস্ক দুই ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়ায় গ্রুপ পর্যায় থেকেই বিদায় নির্ধারিত হলো। ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে ব্রাজিলের সুনির্দিষ্ট আক্রমণ ও অভিজ্ঞতা স্পষ্টভাবে ফুটে उठেছে; হাইতি লড়াই করেছে, কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করার যোগ্যতা ছিল না।