রামপালে সরকারি খালের আরও একটি বাঁধ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে অপসারণ করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে চামারখালী খালের অবৈধ বাঁধ ভেঙে দেন।
জানা যায়, উপজেলার সিঙড়বুনিয়া গ্রামের অহিদ আকুঞ্জী তার দোসর মোতাহার আলীর সহায়তায় প্রায় তিন মাস আগে প্রবহমান চামারখালী খালে বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেন এবং সেখানে মাছ চাষ শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গ্রামবাসীর পক্ষে বিএনপি নেতা মো. মহিদুল ইসলাম লিখিতভাবে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের ध्यान আকর্ষণ করেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামপাল উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী পুলিশ ফোর্স ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁধটি অপসারণ করেন।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা জানান, রামপালে সরকারি রেকর্ডভুক্ত প্রবহমান খালে কেউ বাঁধ দিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায়, এবং খাল ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর।





