তামিলোর সুপারস্টার ‘থালাপতি’ বিজয়ের জন্মদিন ২২ জুন ছিল। ভক্ত, সতীর্থ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় দিনটিকে ঘিরে ছিল উদ্দীপনা। তবুও অনেকে ভূয়সী মনোযোগের বাইরে রেখেছিলেন এক প্রশ্ন—তৃষা কৃষ্ণন কি জন্মদিনে কোনো বার্তা দিয়েছেন? এমনকী অনলাইন গুঞ্জন চলছিল, তৃষা বিজয়কে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছেন; ফলে দুজনের সম্পর্কের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার কল্পকাহিনী ছড়িয়েছে।
তবে সেই সব গুঞ্জনই মুহূর্তেই উড়িয়ে দিলেন তৃষা নিজেই। গত রাতে তিনি একটি একান্ত মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে নেটিজেনদের চোখে-মুখে হাসি ফুটিয়ে দিয়েছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তৃষার পাশে বসে কেক কাটছেন বিজয় — দুজনেই হেসে আছে, মুহূর্তটা পরিষ্কারভাবে ঘনাত্মক ও আন্তরিক।
তৃষা ক্যাপশনে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে জন্মদিনের প্রথম মুহূর্তটাই তিনি বিজয়ের সঙ্গেই কাটিয়েছেন; ‘০০.০০’ সময় উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘যে মানুষটি সবকিছুকে সার্থক করে তোলে, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা,’ সঙ্গে একটি হৃদয়ের ইমোজিও যোগ করেছেন।
এই পোস্টটি সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়। পোস্টটি ১৫ ঘণ্টার ভেতরে প্রায় ৪৪ লাখ রিঅ্যাকশন পায়, আর মন্তব্যের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে প্রায় তিন লাখের কাছাকাছি—স্পষ্টতই বিজয়-তৃষার সঙ্গে ভক্তদের উচ্ছ্বাসের শেষ ছিল না।
অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে আনফলো করার যে সূত্র ছিল, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেওয়া হয়েছে—তৃষা বাস্তবে কখনোই অভিনেতাকে ফলো করেননি; ফলে আনফলো করার কথাই প্রাসঙ্গিক নয় বলে অনেকে বলছেন।
উল্লেখ্য, বিজয় ১৯৯৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; পরে কিছুদিনে যে তার সংসারে সমস্যা হয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে, সেরকম গুঞ্জনও জনমাধ্যমে চলে এসেছে। তৃষার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে আগেও জল্পনা ছিল, বিশেষত সাম্প্রতিক নির্বাচনী সময়ে তৃষার বিজয়ের পাশে দাঁড়ানো বেশি চোখে পড়ে। এবার জন্মদিনে প্রকাশিত এই ‘প্রেমময়’ ছবিটি সেই গুঞ্জনকে আরো তীক্ষ্ণ করে তুলেছে।
চূড়ান্ত মন্তব্যের জন্য উভয় পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি; তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ও ভক্তদের প্রতিক্রিয়া মিলিয়ে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চলা আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।





