শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

খামেনির শেষ বিদ্যায় সৌদি ও গালফ দেশগুলোর প্রতিনিধির অনুপস্থিতি

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদ্যায় সৌদি আরব কোনো প্রতিনিধিকে পাঠায়নি; পাশাপাশি গালফ অঞ্চলের অনেক দেশও তাদের প্রতিনিধি পাঠায়নি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হাউজ অব সৌদ।

ইরান সপ্তাহব্যাপী শেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেছে এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আজ শুধু বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনির মরদহে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে; আগামী শনিবার থেকে সাধারণ মানুষের দেখার জন্য কফিন উন্মুক্ত স্থানে নেওয়া হবে।

হাউজ অব সৌদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কিছু সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি এই শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে উপস্থিত রয়েছেন। তবু সৌদি আরবের কোনো প্রতিনিধি এখনও পৌঁছায়নি এবং শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিনিধির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।

প্রতিবেদনটি আরও বলেছে যে গালফ অঞ্চলের অন্যান্য কয়েকটি দেশ—সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনও খামেনির শেষ বিদ্যায় তাদের প্রতিনিধিকে পাঠায়নি। এই অনুপস্থিতির পটভূমিতে ওই এলাকার নীতি ও কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রায় ১৪ মাস আগে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার দূর্ঘটনার পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছিলেন; তত্ক্ষণাত ঐ সম্পর্কের পটভূমি এখন কিছুটা জটিল বলে দেখাচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, গালফের দেশগুলো এখনও খামেনির মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রকাশ করেনি এবং নতুন সুপ্রিম লিডারেরূপে মোজতবা খামেনিকে স্বীকৃতি দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি।

একই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলার ঘটনা ও তার প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গও থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রভাবিত হয়েছে; হাউজ অব সৌদ এই তথ্যাদি পরিবেশন করেছে।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনের বেশিরভাগ বিবরণ হাউজ অব সৌদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং সেটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।