বাগেরহাটের চিতলমারীর সুরশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃষ্টিতে ভিজে ক্লাস করা শিক্ষার্থীদের খোঁজ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ৩টায় তিনি সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের দুর্দশা সরবভাবে দেখেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করেন, যা দেখে স্কুল শিশুরা খুশিতে ভরে ওঠে। তিনি পাঠদানের অনঙ্গন ও পরিস্কার পরিসর পরিদর্শন করে শ্রেণিকক্ষ সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ওই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণী রাণী বাড়ই, সহকারি শিক্ষক কাবেরী দেবনাথ, জাকিয়া খানম, লিলি মজুমদার, রাবেয়া আক্তার এবং দপ্তরী ও নৈশ প্রহরী বিশ্বজিৎ বসু উপস্থিত ছিলেন।
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলজুড়ে কয়েকদিন ধরে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে সুরশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান বারান্দায় পরিচালিত হচ্ছে। বারান্দার পাশে রাখা পলিথিন ও ছাতা ক্ষতির তুলনায় রক্ষা করতে পারেনি বলে শিশুদের বেশিরভাগ ভিজে যায়। এ অবস্থার খবর গত ৭ জুলাই বিভিন্ন পত্রিকায় প্রচারিত হওয়া মাত্রই ইউএনও খাদিজা আক্তার ঘটনাস্থলে যান।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ইউএনও খাদিজা আক্তার বলেন, “খবরটি পেয়ে আমরা ওই স্কুলে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ওখানে শ্রেণিকক্ষ সংকট রয়েছে। আমরা আপাতত দ্বিতীয় তলায় একটি অস্থায়ী টিন শেডের কক্ষ করব।” তিনি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও শুষ্ক পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।





