খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) চেয়ারম্যান এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনার ভৌগোলিক অবস্থান, সাশ্রয়ী শ্রমশক্তি, মোংলা বন্দরের সুবিধা এবং পদ্মা সেতু ও রূপসা রেল সেতুর সংযোগসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে অঞ্চলটি এখন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থান, প্রস্তাবিত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্ভাব্য কার্যক্রম এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে খুলনাকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়া সম্ভব। এসব সুযোগ-সুবিধা এলাকার শিল্পোন্নয়ন ও ব্যপ্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে কেডিএ মনে করছে।
জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য কার্যক্রম যাচাই ও আর্থিক/প্রযুক্তিগত আলোচনা এগিয়ে নিতে খুলনা অঞ্চলে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছেন, জানানো হয়েছে। এছাড়াও গত দু’দিন ধরে চীনা ও মালয়েশিয়ার দুটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা খুলনা ও বাগেরহাটে পরিদর্শন করেছেন এবং ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য স্থাপনা স্থল দেখে নিয়েছেন।
শফিকুল আলম মনা আরো জানান, কেডিএ’র বিভিন্ন আবাসন, বাণিজ্যিক ও পর্যটন প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানানো হবে এবং প্রশাসনিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নিজের ভাবনায় কেডিএ স্মার্ট সিটি বা স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তুলতে কাজ করছে; সেখানে আন্তর্জাতিক মানের বিনোদন কেন্দ্র, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল ও আইটি পার্ক স্থাপনে যৌথ অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।
বক্তারা বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লাইসেন্স, অনুমোদন ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সহজ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নীতিনির্ধারকদের সম্ভাব্য উদ্যোগ নেয়া উচিত, যাতে প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হতে পারে।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী মোঃ সাবিরুল আলম, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মজিবুর রহমান, সমাজসেবক জুলফিকার আলী বাবু, পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলতাব খানসহ কেডিএ’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ।





