রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা চলতি এপ্রিলেও বজায় রয়েছে। এই মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ২.৪২ বিলিয়ন (২৪১ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর ধরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) এর মূল্য প্রায় ২৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য জানিয়েছে। ব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, গত বছরের একই সময়কার রেমিট্যান্স ছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তাই চলতি বছরের প্রথম ২২ দিনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ডলর, যা টাকায় প্রায় ৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান।
এ বছরের মার্চ মাসটিতে দেশের ইতিহাসে এক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে—ওই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল গত বছরের মার্চে, যখন রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। তৃতীয় এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর (৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার) ও চলতি বছরের জানুয়ারিতে (প্রায় ৩১৭ কোটি ডলার)।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখা জরুরি বলে তারা পরামর্শ দেন।
রেমিট্যান্স প্রবাহে এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকলে অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় তা সহায়ক হবে, কিন্তু বৈশ্বিক অস্থিরতা ও এলাকাpecific সংকটগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে নীতিমালায় প্রস্তুতি বাড়ানোরও গুরুত্ব রয়েছে।





