শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১ দল ঘোষণায়: ১২ জুন সীমান্তজেলায় সমাবেশ, ১৫ জুন শাহবাগে বিক্ষোভ

পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্য শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সকল জেলায় এবং সীমান্ত পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। এছাড়া খুন, ধর্ষণ ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে আগামী ১৫ জুন রাজধানীর শাহবাগের হাদী চত্বরে বড় বিক্ষোভের আয়োজন করা হবে।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এগারো দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজন করা সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচির ঘোষণা দেন ঐক্যের লিয়াজো কমিটির সমন্বয়কারী ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ।

সম্মেলনে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, বর্তমান সরকার অতীতের দুর্নীতিবাহী ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে এবং সংস্কার করতে চায় না; এ কথা তাদের কাজ থেকেই প্রতীয়মান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী দেশ সীমান্তে বাড়াবাড়ি করছে—ভিনদেশি নাগরিকদের আইনগত ব্যাবস্থা না নিয়ে জোরপূর্বক তাদের নিজ দেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আসন্ন সীমান্ত হত্যাকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘গত তিন মাসে সীমান্তে ৫০টির বেশি পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয়েছে। গত ১০০ দিনে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে ১৯ জন নিরীহ বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।’’

হামিদুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমান্তহত্যা বিষয়ক সাম্প্রতিক বক্তব্য জাতীয় নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক; কোনো আইনে সরাসরি গুলির অনুমতি নেই এবং এটি মানবাধিক্যের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

তিনি অনতিদূর ভবিষ্যতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিরোধীদল সদা সজাগ থাকবে বলেও উল্লেখ করেন এবং জনগণকে উদাসীন না হয়ে আবেগ-সহ সচেতন থাকতে আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অপম gelten থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, তিনি সীমান্ত এলাকায় ঘুরে দেখেছেন এবং মানুষের কষ্ট প্রত্যক্ষ করেছেন। সীমান্তে সরকারের ভূমিকা অপ্রতুল; বিজিবিকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন—এ jinisের দাবি তার বক্তব্যে ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।