সরকার দেশব্যাপী মানসম্পন্ন ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করেছে। এই বিজ্ঞাপন ও নিয়োগে নারীর ক্ষমতায়ন ও সেবার গুণগত মান বাড়াতে ৮০ শতাংশ পদে নারীদের অগ্রাধিক্য দেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশকে আরও মানবমুখী ও সমতাভিত্তিক করতে নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে, দীর্ঘদিন শূন্য থাকা পদগুলো পূরণের লক্ষ্যে দ্রুত ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট কিছুটা লাঘব হবে এবং রোগীদের সেবা দ্রুত ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি খাতে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নার্সিং বিষয়ে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে—যা স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।
এসব পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যন্ত ও দরিদ্র অঞ্চলে রোগীভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করা, নারীর কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং সামগ্রিকভাবে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা।





