বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এপিপি’তে এক সিদ্ধান্তে বদলে গেল ম্যাচ — মিশরের দ্বিতীয় গোল বাতিল

একটি সিদ্ধান্তই বদলে দিল ম্যাচের ভঙ্গিমা। মিশরের জালে আসা দ্বিতীয় গোলে মুহূর্তের উল্লাস ভengera দিল ভিএআর। কয়েক সেকেন্ড আগের একটি ফাউল দেখতে পেয়ে হলো সেই গোল বাতিল — এবং ঠিক সেই 판단টি পুরো ম্যাচের ভাগ্য পালটে দিল।

ঘটনাটি ঘটেছিল এমন এক সময়ে যখন স্টেডিয়াম মিশরের দেয়ায় ওঠা গোল উদযাপনে ডুবে ছিল। তবে উল্লাস শুরু হতে ক’ক্ষণ না, রেফারি মনিটরের সামনে ডাকা হল। রিপ্লেতে দেখা গেল গোলের আগের মুহূর্তে মারওয়ান আতেয়া লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে ফাউল করেছেন। সেই ফাউলটি থেকেই চলতে থাকা এক ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে পরে গোল এসেছে—এটিই ছিল নিয়মগত মূল পয়েন্ট।

এখানেই কাজে নামে ‘‘অ্যাটাকিং পজেশন ফেজ’’ বা এপিপি। সংক্ষেপে, যে আক্রমণ ধারাবাহিকতা থেকে গোল আসে, যদি সেই আক্রমণের শুরুতেই কোনো ফাউল বা নিয়মভঙ্গ ঘটে এবং দলটি একই আক্রমণ চালিয়ে পরে গোল করে, তাহলে ভিএআর সে ফাউল পর্যন্ত ফিরে গিয়ে গোল বাতিলের সুপারিশ করতে পারে। এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো খেলার ধারাবাহিকতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা রক্ষা করা—অর্থাৎ আক্রমণের শুরুতেই সৃষ্ট অবৈধ সুবিধা দিয়ে জয় পাওয়া নয়।

এই ম্যাচে ঠিক তাই ঘটল। ফাউলের পরে আর্জেন্টিনা বল পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি; মিশর একই আক্রমণ চালিয়ে বল জালে পাঠায়। নিয়মের আলোকে সেই গোলকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল স্পষ্ট: যদি গোলটি স্থায়ী হয়ে থাকত, মিশর দুই-শূন্য এগিয়ে যেত। কিন্তু বাতিল হওয়ায় আর্জেন্টিনা এক গোলে পিছিয়ে অবস্থান করছিল—এ থেকেই তারা ফিরে এসে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন গড়ে তোলে এবং শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে বিধ্বস্ত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।

ফুটবলে মাঝে মাঝে ঠিক এ ধরণের নীরব মুহূর্তগুলোই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়—একটি ফাউল, একবারের রিপ্লে, আর তারপর সিদ্ধান্ত যা কোটিপতি প্রচার ও ইতিহাস উভয়েরই ভঙ্গিমা বদলে দেয়।