মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বুধবার (৮ জুলাই) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আইরিন খান ওই পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবেন।
আইরিন খান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও গণমাধ্যম স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রথম নারী হিসেবে সংস্থাটি নেতৃত্ব দেন।
২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশন (আইডিএলও)-র প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে তিনি জাতিসংঘে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সুরক্ষাবিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ারের (স্পেশাল র্যাপোর্টিয়র) দায়িত্বে রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে এই পদ চালু হওয়ার পর থেকে তিনি এই ভূমিকা সামাল দেওয়া প্রথম নারী।
আইরিন খানের সমৃদ্ধ কর্মজীবন এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা তাকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বরে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।





