সোমবার, ২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেসবুক-মেসেঞ্জার আবার সচল

আজ দুপুরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে হঠাৎ বিরতি ঘটে। ওয়েব ভার্সনে প্রবেশে ধীরগতির সমস্যা ও অনেকে সম্পূর্ণ অচলতার মুখোমুখি হন। মোবাইল অ্যাপেও বার্তা পাঠানো, নিউজফিড দেখার বা কল করার সময় ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে, প্রায় দুই ঘণ্টা পর সেবা আবার স্বাভাবিক হয়।

দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের পর থেকেই অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যার কথা জানাতে শুরু করেন। কেউ কেউ ফেসবুক খুললেও নতুন পোস্ট লোড না হওয়া, মেসেঞ্জারে পাঠানো বার্তা ‘সেন্ডিং’ হিসেবে দীর্ঘসময় আটকে থাকা বা вовсе না পৌঁছানো—এ ধরনের অভিযোগ করেন। ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি ব্যবসায়িক লেনদেন, সংবাদ পরিবেশন ও কাস্টমার সার্ভিসেও এর প্রভাব পড়ে। এতে ছোট অনলাইন ব্যবসা, উদ্যোক্তা, সংবাদমাধ্যম ও ফ্রিল্যান্সারদের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোর সেবা বন্ধ হলে প্রভাব শুধুই বিনোদন সীমাবদ্ধ থাকে না; অনেক ব্যবসা ও পেশাগত কাজও এতে আক্রান্ত হয়। ফলে সাময়িক হলেও এমন ব্যাঘাত দ্রুত উদ্বেগ এবং আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে।

একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, তাদের সমীক্ষায় দেখা গেছে ফেসবুকে সমস্যা রিপোর্টের আনুমানিক ৪৫ মিনিট আগ থেকেই শুরু হয়; মেসেঞ্জারে ২৬ মিনিট এবং ইনস্টাগ্রামে সর্বশেষ ৩২ মিনিট ধরে ব্যবহারকারীরা কম্পিউটার থেকে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল অ্যাপে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চলছিল।

রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়াও হাঙ্গেরি, এস্তোনিয়া, নেদারল্যান্ডস, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কানাডা, ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ডের ব্যবহারকারীরাও অ্যাক্সেসজনিত সমস্যা সম্পর্কে অভিযোগ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ায় বড় প্ল্যাটফর্মে সাময়িক সমস্যা হলেও দ্রুতই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও তা প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এ ঘটনার মধ্যেই স্পষ্ট হয়েছে।