ঢাকা আক্রমণাত্মক মন্তব্য দাঁড় করাতে cijjh? — correction: likely a stray — I’ll produce final JSON without stray
ঢাকা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সম্প্রতি করা আপত্তিকর মন্তব্য সম্পর্কে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন কুমার ভাদেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বাংলাদেশের ওই প্রতিবাদ জানানো হয় এবং একটি কূটনৈতিক নোট হস্তান্তর করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগে ডেকে এনে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়। এইজন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দপ্তরে রাজ্যপাল ইশরাত জাহান পড়েছিলেন।
ঘটনাচক্রে আসামের মুখ্যমন্ত্রী একটি টিভি সাক্ষাৎকারে (এবিপি লাইভ) প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বাংলাদেশের ‘উৎসের’ সন্দেহভাজন অনিবন্ধিত ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানো ভারতের জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে কঠিন। তিনি মন্তব্য করেন যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রাত অবধি অপেক্ষা করে এবং যখন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কেউ উপস্থিত থাকে না, তখন অন্ধকারে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সীমান্তে ঠেলে দেয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক পত্রে উল্লেখ করেছে, আসামের মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অবমাননাকর ও বিভ্রান্তিকর। বিশেষ করে যে জাতীয় ‘পুশব্যাক’ বা সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বলা হয়েছে, তা বাংলাদেশ সরকার অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কূটনৈতিক নোটে আরও বলা হয়েছে, স্পর্শকাতর দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে কোন প্রকার তথ্য-প্রমাণ ছাড়া জনসমক্ষে এমন মন্তব্য করা দুই দেশের সম্পর্কের পক্ষে সহায়ক নয়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ ও সীমান্ত সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যার সমাধান আন্তর্জাতিক বিধি এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমে চায়।
ঢাকা হাইকমিশনারের মাধ্যমে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যেককে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে, যেগুলো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। হাইকমিশনার পবন কুমার ভাদা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য গ্রহণ করেছেন এবং তা তাঁর সরকারের নিকট পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংবেদনশীল বিষয়গুলো কূটনৈতিক চ্যানেল ও আলোচনা-সমাধানের মাধ্যমে মোকাবিলা করার ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সংযম ও সংলাপের আহ্বান করা হয়েছে।





